চাহিদা পুনরুদ্ধারের আশায় তেলের মূল্যমান বৃদ্ধি; WTI বৃদ্ধি পেয়েছে 1.2%

চাহিদা পুনরুদ্ধারের আশায় তেলের মূল্যমান বৃদ্ধি; WTI বৃদ্ধি পেয়েছে 1.2% চাহিদা পুনরুদ্ধারের আশায় তেলের মূল্যমান বৃদ্ধি; WTI বৃদ্ধি পেয়েছে 1.2%

MarketDeal24.Com – এশিয়ার বাজারে তেলের চাহিদা সম্পর্কে সৌদির আশাবাদ এবং ইরাক তাদের সরবরাহ কমানোর আরো দৃঢ় অঙ্গীকার করার পর সোমবার তেলের মূল্যমান বেড়েছে। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়ে গেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের West Texas Intermediate (WTI) crude CLc1 futures 50 সেন্ট বা 1.2% বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি $41.72 ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে। এবং Brent crude LCOc1 futures 40 সেন্ট বা 0.9% বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি $44,80 ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে।

CMC Markets এবং Stockbroking মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট মাইকেল ম্যাকার্থি বলেন, “Aramco থেকে সপ্তাহান্তে আসা মন্তব্যগুলি এই মুহুর্তের অন্যতম চালিকা শক্তি।”

এদিকে সৌদি আরবের Aramco’s (2222.SE) রবিবার এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন নাসের বলেছেন যে, তিনি এশিয়ায় তেলের চাহিদা প্রত্যাবর্তন করতে দেখছেন কারণ এশিয়াতে করোনা ভাইরাস লকডাউন স্বাভাবিক করার পর থেকে সেখানকার অর্থনীতি ধীরে ধীরে উন্মুক্ত হচ্ছে।

Forexmart

অন্যদিকে সরবরাহের বিষয়ে ইরাক শুক্রবার বলেছে যে গত তিন মাসে তাদের করা অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষতিপূরণ দিতে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে প্রতিদিন তারা তেলের উৎপাদন আরো 400,000 ব্যারেল হ্রাস করবে। এই পদক্ষেপের পেছনে পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলির সংস্থা এবং তাদের সহযোগী সংস্থা OPEC+ ভূমিকা রয়েছে।

তীব্র হ্রাসের কারণে এই মাসে এবং পরবর্তী মাসে ইরাকের মোট উৎপাদন হ্রাস 1.25 মিলিয়ন BPD তে নেমে আসবে।

এই বিষয়ে AxiCorp এর মার্কেট স্ট্রেটেজিস্ট স্টিফেন ইনেস তার এক নোটে বলেছেন, “তেল চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব ও ইরাক নিজেদের মধ্যে আরো ভালো সম্পর্ক তৈরি করেছে।”

OPEC+

এরমাঝে সৌদি ও ইরাকের জ্বালানি মন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন যে, OPEC+ এর এই প্রচেষ্টা বিশ্ব তেল বাজারের স্থিতিশীলতার উন্নতি করবে, এর ভারসাম্যকে ত্বরান্বিত করবে এবং বাজারে ইতিবাচক সংকেত প্রেরণ করবে।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটস এবং হোয়াইট হাউসের মধ্যে করোনা ভাইরাস মহামারী দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ রাজ্যগুলির জন্য একটি নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের বিষয়ে স্থগিত হওয়া আলোচনার উপর সকলের আশা থাকলেও, আপাতত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো হচ্ছে না।

এই বিষয়ে মার্কিন হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি এবং ট্রেজারি সেক্রেটারি স্টিভেন মুনচিন দু’জনেই বলেছেন যে তারা ২০২০ সালের বাকী অংশটি কাটাতে নতুন একটি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে ইচ্ছুক।

GBP/USD: সাপ্তাহিক টেকনিক্যাল এনালাইসিস

leave a reply