জানুয়ারি থেকে মার্চে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচকে ব্যাপক পতন: তথ্য সাউথ এশিয়ান স্টক এক্সচেঞ্জের

জানুয়ারি থেকে মার্চে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচকে ব্যাপক পতন: তথ্য সাউথ এশিয়ান স্টক এক্সচেঞ্জের জানুয়ারি থেকে মার্চে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচকে ব্যাপক পতন: তথ্য সাউথ এশিয়ান স্টক এক্সচেঞ্জের

MarketDeal24.Com – বাংলাদেশের দুটো শেয়ার বাজারের সূচকেই ব্যাপক পতন লক্ষ্য করা গেছে করোনা সংক্রমণের পর।

জানুয়ারি থেকে মার্চে বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জ ফ্লোর প্রাইসের কারণে ব্যাপক পতনের মধ্যে দিয়ে যায়।

২০১৯ সালে ডিসেম্বরের শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বেঞ্চমার্ক সূচক DSEX ৪৪৫২.৯৩ পয়েন্টসে গিয়ে শেষ হয়।

পরবর্তীতে মার্চের ২৫ তারিখে DSEX ১০% বা ৪৪৪.৬৫ পয়েন্টস কমে ৪০০৮.২৮ পয়েন্টসে নেমে আসে।

Forexmart

২০২০ সালে মার্চের শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের বেঞ্চমার্ক সূচক ১৬% বা ২১৭৭.৫৮ পয়েন্টস কমে ১১৩২৮.১২ পয়েন্টসে গিয়ে দাঁড়ায়।

জানা যায় সাউথ এশিয়ান স্টক এক্সচেঞ্জের অন্যান্য সূচক ৬ থেকে ৩২% পর্যন্ত পতনের সম্মুখীন হয়েছে এবং এই পতন ঘটেছে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের মার্চ মাসের মধ্যে।

একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, “ফ্লোর প্রাইসের কারণে অস্বাভাবিক দর পতনে লাগাম টানা সম্ভব হয়েছে।” যদিও তিনি বলেন আগে কিছু কিছু শেয়ার যা নিম্নমুখী অবস্থায় ছিল এখন তা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা প্রদর্শন করছে।

সাউথ এশিয়ান স্টক এক্সচেঞ্জ

সাউথ এশিয়ান স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্যে জানা যায় ফিলিপাইন স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সবচেয়ে বেশি পতনের সম্মুখীন হয় ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে।

অপরদিকে, Shenzen100, শেনযেন স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক, সবচেয়ে কম পতনের সম্মুখীন হয়।

Composite Index, সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সাউথ এশিয়ান স্টক এক্সচেঞ্জে একইভাবে সর্বনিম্ন পতনের সম্মুখীন হয়।

PSEi, ফিলিপাইন স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক, ৩২% বা ২৪৯৪.০৩ পয়েন্টস কমে ৫৩২১.২৩ পয়েন্টসে গিয়ে অবস্থান নেয়।

NSE India, ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ অভ ইন্ডিয়ার সূচক, ৩০% বা ৩৬৯৭.৫৫ পয়েন্টস কমে।

২০২০ সালের মার্চের শেষে NSE India ১২২৫৫.৮৫ পয়েন্টস থেকে কমে ৮৫৫৮.৩০ পয়েন্টসে অবস্থান নেয়।

পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক ২৯% বা ১১৬৫৬ পয়েন্টস হ্রাস পায়।

ইন্দোনেশিয়া স্টক এক্সচেঞ্জ, থাইল্যান্ড স্টক এক্সচেঞ্জ, কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জ, জাপান স্টক এক্সচেঞ্জ এবং তাইওয়ান স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক ১৯% থেকে ২৯% পর্যন্ত করোনা মহামারীর সময়ে পতনের সম্মুখীন হয়।

মালয়শিয়ার সূচক হ্রাস পায় ১২% প্রায় একই সময়ে।

ফ্লোর প্রাইস চালু করার পর ঢাকা এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ৬৬ দিনের জন্য বন্ধ থাকে, মার্চের ২৬ তারিখ থেকে মে মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত।

মে মাসের ৩১ তারিখ লেনদেন শুরু হয় এবং ফ্লোর প্রাইসের কারণে শুরুতে লেনদেন ছিল না বললেই চলে।

গত রবিবার DSEX ৪০৫০.৬৪ পয়েন্টসে অবস্থান নেয়। অনেক বিশ্লেষক ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়ার কথা বলেন যদিও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বলছে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলেই ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়া হবে।

আপনি কি শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারী নাকি ট্রেডার?

৫ Comments

  • মহামারী পুনরুদ্ধার তহবিল নিয়ে এখনো লড়াইয়ে ব্যাস্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতারা
    জুলা ২০, ২০২০
  • সোমবার দিনের শুরুতে বাংলাদেশ শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা
    জুলা ২০, ২০২০
  • পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ৫টি কমিটি গঠন করলো BSEC
    জুলা ২০, ২০২০
  • পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ৫টি কমিটি গঠন করলো BSEC
    আগ ২৪, ২০২০
  • মহামারী পুনরুদ্ধার তহবিল নিয়ে এখনো লড়াইয়ে ব্যাস্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতারা
    আগ ২৪, ২০২০

leave a reply