দিনশেষে বাংলাদেশ শেয়ার বাজার সামান্য ঊর্ধ্বমুখী; বাড়েনি টার্নওভার

দিনশেষে বাংলাদেশ শেয়ার বাজার সামান্য ঊর্ধ্বমুখী; বাড়েনি টার্নওভার দিনশেষে বাংলাদেশ শেয়ার বাজার সামান্য ঊর্ধ্বমুখী; বাড়েনি টার্নওভার

MarketDeal24.Com – বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ শেয়ার বাজার কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় কার্যদিবস পার করেছে। তবে টার্নওভার এখনো কম।

মানুষের ভিতর এখনো করোনা ভাইরাস আতংক কাজ করছে। বিনিয়োগকারীরা শঙ্কায় রয়েছে। ফ্লোর প্রাইস সিস্টেমের কারণে এখনো অনেক বিনিয়োগকারী বাজারে অংশগ্রহণের সাহস পাচ্ছেন না।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মুখ্য সূচক DSEX ৪.৪৫ পয়েন্টস বা ০.১১% বৃদ্ধি পেয়ে দিনের শেষে ৩,৯৬৯ তে অবস্থান নেয়।

করোনার ফলে ক্রেতাবিহীন শেয়ার বাজার বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। যার ফলে শেয়ার বাজারে অংশগ্রহণ কমে গেছে।

Forexmart

ডিএসই কোর ইনডেক্স গত দুই সপ্তাহ ধরে অবস্থান করছে ৩,৯৫০ থেকে ৩,৯৭০ পয়েন্টসের মধ্যে। প্রস্তাবিত বাজেট ও ফ্লোর প্রাইস সীমাবদ্ধতার কারণে বিনিয়োগকারীরা কিছুটা শঙ্কার মধ্যে রয়েছে।

ব্লু চিপস হিসেবে পরিচিত DS30 সূচক ২.৯৮ পয়েন্টস বেড়ে ১,৩৩০ এ অবস্থান নেয়। DSE শরীয়াহ সূচক DSES ০.৯৩ পয়েন্টস বেড়ে সর্বশেষ ৯১৯ পয়েন্টসে অবস্থান নেয়।

টার্নওভারের আর্থিক মূল্যমান এখনো এক বিলিয়নের নিচে যা আজ ছিল ৬৮৩ মিলিয়ন টাকা। যা গতকালকের ৫৪১ মিলিয়ন টাকার টার্নওভারের চেয়ে ২৬% বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৪,৬৮৬টি লেনদেন সম্পন্ন হয় আজ। যেখানে ৩১.০৬ মিলিয়ন শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ড ছিল।

Beximco Pharma ছিল টার্নওভার তালিকার শীর্ষে। যা হাতবদলের আর্থিক মূল্য ছিল ৮২ মিলিয়ন টাকা। এরপর ছিল Reckitt Benckiser, Bangladesh Submarine Cable Company, Summit Power এবং Indo-Bangla Pharma।

বর্তমান ফ্লোর প্রাইস সীমাবদ্ধতার কারণে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ছিল না বললেই চলে।

Indo-Bangla Pharma আজ সবচেয়ে লাভজনক অবস্থায় দিন শেষ করেছে। যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২.০৫% অপরদিকে Aramit Cement সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় দিন শেষ করেছে যা হ্রাস পেয়েছে ৬.৪০%।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও আজ সামান্য ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে যেখানে CASPI ৫.৯৪ পয়েন্টস বেড়ে ১১,২৬২ তে এবং CSCX ০.৬৩ পয়েন্টস বেড়ে ৬,৮১৮ এ গিয়ে দাঁড়ায়।

সেখানকার লেনদেনে ২০টি শেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ১২টি নিম্নমুখী এবং ৭৯টি আছে অপরিবর্তিত অবস্থায়। যেখানে ৩.৭৫ মিলিয়ন শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়। টার্নওভারে যার আর্থিক মূল্যমান ৯৩৬ মিলিয়ন টাকা।

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে মার্কিন ডলারের মূল্যমান বৃদ্ধি

leave a reply