বাংলাদেশের শেয়ার বাজার কি বৃহদায়তন পুঁজি আনতে সক্ষম?

বাংলাদেশের শেয়ার বাজার কি বৃহদায়তন পুঁজি আনতে সক্ষম? বাংলাদেশের শেয়ার বাজার কি বৃহদায়তন পুঁজি আনতে সক্ষম?

MarketDeal24.Com – বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ হলেও দেশটির পুঁজিবাজার কোনো দিক দিয়েই খুব একটা আশাব্যঞ্জক কিছু উপস্থাপন করতে পারছে না বিগত কয়েক বছরে। যদিও দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে খুব দ্রুত। তারপরও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার যেন অনেকটাই পড়ে থাকে অযত্নে, অবহেলায়।

গত ১১ বছরের অফিশিয়াল ডাটা পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় দেশের মোট বার্ষিক পুঁজিতে শেয়ার বাজারের অবদান কখনোই ৫% এর বেশি ছিল না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানাবিধ কারণে তা ১% এর নিচে নেমে এসেছে।

স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী নানা অর্থনৈতিক কার্যক্রমে জড়িত ছিল বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। এক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয় বিশ্বব্যাংকের নির্দেশনা।

শুধুমাত্র তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানির জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্পোরেট ট্যাক্স মওকুফ করেছে। যা তালিকাভুক্ত এবং অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর্পোরেট ট্যাক্সের পার্থক্য দশ শতাংশ থেকে সাড়ে সাত শতাংশে নামিয়ে এনেছে।

Forexmart

বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াৎ উল ইসলাম বলেন তার কমিশন পুঁজিবাজার পুনর্গঠনের এবং ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান পুঁজিবাজারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়ে বলেন কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তার কমিশন, চেষ্টা চলছে বৈচিত্র্য আনার, কর্মদক্ষতা এবং স্বচ্ছতা বাড়ানোর এবং সেই সাথে নিয়ম ভঙ্গকারীদের প্রতি কঠোর হওয়া অব্যাহত রয়েছে।

এর আগের কমিশন গত এক দশকে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছে এবং অনেক অকার্যকর আইপিও অনুমোদনের অভিযোগও আছে।

এক আলোচনায় উঠে আসে ভারতের শেয়ার বাজারের কথা যেখানে বলা হয়, ভারতে যদি কোনো কোম্পানি জোরপূর্বক তালিকাভুক্তি থেকে বাদ পড়ে সেক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকদের সঠিক সময়ে পাবলিক শেয়ার ক্রয়ের নির্দেশনা দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) গত দুই মাসে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে, কার্যকর করেছে বেশ কিছু নতুন নিয়ম এবং আইপিও অনুমোদনের ব্যাপারে এখন আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

টেকনিক্যাল এনালাইসিস | ৪ঠা আগস্ট, ২০২০

leave a reply