ব্রোকারেজ লাইসেন্স এর জন্য নতুন নীতিমালা জারি

যৌথভাবে শেয়ার না থাকা কোম্পানির বোর্ড পুনর্গঠনের হুমকি দিয়েছে BSEC যৌথভাবে শেয়ার না থাকা কোম্পানির বোর্ড পুনর্গঠনের হুমকি দিয়েছে BSEC

MarketDeal24.Com – নতুন লাইসেন্সধারীরা কেবল মাত্র একটি TREC বা ব্রোকারেজ লাইসেন্স পাবেন তবে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের কোনো অংশ বা সদস্যপদ পাবে না।

ব্রোকারেজ লাইসেন্স কিনতে স্থানীয় কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধনের পরিমান সর্বনিম্ন ৫ কোটি টাকা এবং বিদেশী কোম্পানিগুলোর জন্য তা ১০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এটিই দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোতে ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (TREC) নামে পরিচিত।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) বিধিমালা, ২০২০ অনুযায়ী স্থানীয় ও বিদেশী শেয়ারহোল্ডাররা ৮ কোটি টাকা ব্যায় করে একটি নতুন লাইসেন্স বা TREC পেতে পারে। তবে সেক্ষত্রে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের কোনো অংশ বা সদস্যপদ পাবে না।

এর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) বোর্ড প্রস্তাব করেছিল যে কোনো কোম্পানির নিবন্ধন করতে হলে ৫ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে এবং TREC পেতে গেলে পরিশোধিত মূলধায় ১০ কোটি টাকা থাকতে হবে।

Forexmart

নতুন নীতিমালা অনুসারে স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে ৩ কোটি টাকা, বিদেশী কোম্পানিগুলোকে ৫ কোটি টাকা এবং জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানিগুলোকে ৪ কোটি টাকা আমানত হিসেবে স্টক এক্সচেঞ্জে রাখতে হবে।

এই বছরের শুরুর দিকে, বিএসইসি TREC বিধিমালাগুলোর খসড়া প্রকাশ করেছিল। তবে তাতে ব্রোকারেজ ফার্মগুলো সন্তুষ্ট হতে পারেনি।

নতুন TREC নিয়ম অনুসারে স্টক এক্সচেঞ্জকে ৪৫ দিনের মধ্যে নতুন TREC-র আবেদন গ্রহণ বা বাতিল করতে হবে।

পুঁজিবাজারে বর্তমানে, ২৫০টি TREC হোল্ডার রয়েছে। এর মধ্যে ২৩৮টি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সক্রিয় রয়েছে।

leave a reply