ADVERTISING

ব্রোকারেজ হাউজের প্রতারণা; ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের বিনিয়োগকারী

ব্রোকারেজ হাউজের প্রতারণা; ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের বিনিয়োগকারী ব্রোকারেজ হাউজের প্রতারণা; ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের বিনিয়োগকারী

MarketDeal24.Com – বেশ কিছু স্টকব্রোকার বিনিয়োগকারীদের সাথে প্রতারণা করেছে এবং তা কয়েক বছর ধরে। বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্টের বিপরীতে আইপিও দেয়া হয় প্রথমে এবং তারপর বিনিয়োগকারীদের তহবিল ব্যবহার করা হয় কোনো অনুমতি ছাড়াই।

অনেকে এর চেয়েও নিকৃষ্ট প্রতারণা করে এসেছে। বিনিয়োগকারীরা সাধারণত অর্থ জমা করে তাদের বিও অ্যাকাউন্টে এবং তারপর ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে আইপিও-র জন্য আবেদন করতে বলে। কিন্তু প্রতারক ব্রোকার চক্র আইপিও আবেদনের বদলে বিনিয়োগকারীদের টাকা ব্যাংকে রেখে দেয় এবং সেখান থেকে মোটা অংকের সুদ নিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত প্রয়োজনে আত্মসাৎ করে।

আইপিও আবেদন শেষ হলেই বিনিয়োগকারীদের টাকা পুনরায় ক্লায়েন্টদের অ্যাকাউন্টে জমা করে দেয়া হয়। এবং এ কৌশলটির ব্যাপারে বিনিয়োগকারীরা কিছুই জানতে পারেন না।

আইপিও নিয়ে BSEC-র সাম্প্রতিক তদন্তে এমন প্রতারণার বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

Forexmart

বাজার বিশ্লেষক প্রফেসর আবু আহমেদ বলেন, “এমন কার্যাবলী বিনিয়োগকারীদের সাথে স্পষ্ট প্রতারণা। এখানে তহবিলটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের, স্টকব্রোকারদের নয়। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের কোনো কিছু জানার উপায় থাকে না।”

এ ব্যাপারটি উন্মোচিত হওয়ায় এবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশন (BSEC) এমন প্রতারণার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় ব্রোকারেজ হাউজগুলো আইপিও অ্যাপ্লিকেশনের নিয়মাবলী অনুসরণ করে না। এবং নিয়ম ভঙ্গ করে প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগকারীদের অর্থের এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের যথেচ্ছ ব্যবহার করে।

আইপিও লটারির শেয়ার পাওয়া গেলে ব্রোকারেজ হাউজগুলো তা বিক্রি করে দেয় বিনিয়োগকারীদের না জানিয়েই।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)

২০১৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) সিদ্ধান্ত নেয় আইপিও অ্যাপ্লিকেশন করা হবে ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে যা এর আগে করা হত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে।

তখন বিনিয়োগকারীরা সেই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানায় এবং বলা হয় এর দ্বারা অনেক বেশি দুর্নীতির সম্ভাবনা রয়েছে।

আইপিও অ্যাপ্লিকেশনের কাজটি ব্রোকারেজ হাউজকে দেয়া হলে লাভবান হবে সেই প্রতিষ্ঠান কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিনিয়োগকারীরা।

সিকিউরিটি কমিশন ব্রোকারেজ হাউজে রুটিন ইন্সপেকশন কার্যক্রম দুই বছরের জন্য কমিয়ে দেয় শেয়ার বাজারের নিম্নমুখী অবস্থা দেখে।

কিন্তু পরবর্তীতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশে BSEC ব্রোকারেজ ফার্মে নজরদারি বৃদ্ধি করে। সেই সাথে যুক্ত হয় রুটিন ইন্সপেকশন কার্যক্রম।

Shurwid Industries এর সকল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিতের নির্দেশ দিল BSEC

leave a reply