মার্কিন-চীন উত্তেজনার মাঝেও এশিয়ার শেয়ার বাজার ঊর্ধ্বমুখী

মার্কিন-চীন উত্তেজনার মাঝেও এশিয়ার শেয়ার বাজার ঊর্ধ্বমুখী মার্কিন-চীন উত্তেজনার মাঝেও এশিয়ার শেয়ার বাজার ঊর্ধ্বমুখী

MarketDeal24.Com – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের মাঝে সোমবার এশিয়ার শেয়ার বাজার ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান নিয়েছে। যদিও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে শিল্প কর্মকাণ্ডে পুনরুদ্ধারের লক্ষণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে এর প্রভাব বাজারে পরেনি।

ইউরোপের শেয়ার বাজার ইতিবাচক অবস্থায় আছে। EUROSTOXX 50 (STXEc1) futures 0.77% এবং FTSE (FFIc1) futures 0.71% বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া S&P 500 index (ESc1) 0.19% বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাপানের বাইরে এশিয়া-প্যাসিফিক শেয়ারের MSCI’s broadest index কে লাল এবং সবুজ রঙের মাঝামাঝি অবস্থানে দেখা গেছে। গত সপ্তাহে এটি 6-1 / 2 মাসের শীর্ষ থেকে নীচে নেমে গেছে। জাপান ও সিঙ্গাপুরের বাজার সরকারী ছুটির কারণে আজ বন্ধ ছিল।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৫ দিনের ব্যবধানে চীনা প্রযুক্তি জায়ান্ট Tencent (HK:0700) এর মালিকানাধীন উইচ্যাট এবং টিকটককে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে দুটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার পরে বিনিয়োগকারীরা কিছুটা সন্দিহান অবস্থায় আছে।

Forexmart

এইসবের মাঝে চীনের CSI300 (CSI300) হ্রাস পেয়েছে। এবং হংকংয়ের Hang Seng index (HSI) নতুন জাতীয় সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুনকে গ্রেপ্তারের পরে 0.36% হ্রাস পেয়েছে।

চীন-মার্কিন সম্পর্ক

চীন-মার্কিন সম্পর্কের অবনতির মাঝে চীনের কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন তথ্য প্রকাশের ফলে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আশা বৃদ্ধি পেয়েছে।

অর্থনীতির চাহিদা, সরকারী উদ্দীপনা এবং স্থিতিস্থাপক রফতানি চীনের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রবণতাকে বৃদ্ধি করেছে এবং চীনের শিল্প উৎপাদনকে অবিচ্ছিন্ন স্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার শেয়ারে AXJO বেড়েছে 1.68% এবং দক্ষিণ কোরিয়ার KOSPI index (KS11) 1.38% বেড়েছে। সেই সাথে নিউজিল্যান্ডের benchmark index 0.3% এগিয়েছে।

সেইফ হ্যাভেন হিসেবে খ্যাত মার্কিন ডলার জাপানি ইয়েনের বিপরীতে 105.79 তে নেমেছে এবং ঝুঁকি সংবেদনশীল অ্যাসি ডলার শুক্রবারে 1.1% হ্রাস পেয়েছে।

ব্রিটিশ পাউন্ড কিছুটা বেড়ে $ 1.3073 তে পৌঁছেছে তবে এখনো গত সপ্তাহে পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ $1.3185 ডলারে এসেছিল। ইউরো গত সপ্তাহে ২০১৮ সালের মে মাসের পর থেকে তার সর্বোচ্চ স্তরের আসার পরে $1.1789 ডলারে এসে স্থিতিশীল হয়।

অন্যদিকে মার্কিন কংগ্রেসের সাথে আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেকারত্বের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর জন্য একাধিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এর পরেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাজস্ব উদ্দীপনা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

আদেশগুলিতে বেকারত্বের সুবিধার জন্য প্রতি সপ্তাহে মাথাপিছু অতিরিক্ত আরো $400 ডলার সরবরাহ করা হবে। এর আগে প্রতি সপ্তাহে $600 ডলার করে দেয়া হতো।

কমোডিটির মধ্যে গত সপ্তাহে Gold তার সর্বোচ্চ মূল্য 2,072.5 ডলারে পৌছেছিল। পরে সামান্য নেমে এসে $2,029.20 ডলারে দাঁড়িয়েছে।

Brent crude (LCOc1) 43 সেন্ট বৃদ্ধি পেয়ে 44.83 ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে। এবং U.S. crude (CLc1) 54 সেন্ট বৃদ্ধি পেয়ে $41.76 ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে।

RBI তাদের সুদের হার আরো 50 bps হ্রাস করবে: নোমুরা

  • সেলিং প্রেশারে দিনের শুরুতে বাংলাদেশ শেয়ার বাজার ঊর্ধ্বমুখী
    আগ ১০, ২০২০

leave a reply