সাপ্তাহিক টেকনিক্যাল এনালাইসিস | ২৭শে জুলাই – ৩১শে জুলাই, ২০২০

EUR/USD:

সাপ্তাহিক লাভ/লস: +2.00%

সাপ্তাহিক ক্লোজ: 1.1654

EUR/USD সাপ্তাহিক টাইমফ্রেম:

গত সপ্তাহে টানা পাঁচ দিন মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২২০ পিপ্স উপরে উঠে গেছে পেয়ারটির মূল্য এবং ২০১৯ সালের ওপেনিং লেভেল 1.1445 এর অতিক্রম করে উপরে উঠে গেছে EUR/USD।

এই সপ্তাহে পেয়ারটি ঊর্ধ্বমুখী থাকলে সাপ্তাহিক টাইম ফ্রেমে পরবর্তী টার্গেট হিসেবে কাজ করবে Quasimodo রেসিস্টেন্স 1.1733। অন্যদিকে এই লেভেলকে অতিক্রম করলে ২০১৮ সালের ওপেনিং লেভেল 1.2004 কে টার্গেট করবে।

Forexmart

ডেইলি টাইমফ্রেম:

পাঁচটি বুলিশ ক্যান্ডেল গঠন করে সপ্তাহের মাঝামাঝি সর্বোচ্চ 1.1147 থেকে শুরু হওয়া চ্যানেল রেসিস্টেন্সকে অতিক্রম করে ক্লোজের সময় Quasimodo রেসিস্টেন্স 1.1594 তে চলে যেতে পারে পেয়ারটির প্রাইস।

সাপ্তাহিক টাইম ফ্রেমের মতোই ডেইলি টাইম ফ্রেমেও সাপ্তাহিক টাইম ফ্রেমের Quasimodo রেসিস্টেন্স 1.1733 কে টার্গেট করা হয়েছে। তবে ট্রেডাররা এতোটা উপরে যাওয়ার আগে 1.1594 তে একবার পরিক্ষিত হতে চাইবে।

চার ঘন্টার টাইমফ্রেম:

শুক্রবারে ইউরোর মুল্যবৃদ্ধির পিছনে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে মার্কিন ডলার ইনডেক্স। মূল্য হ্রাস পেতে পেতে শুক্রবারে DXY এর মূল্য 94.00 তে নেমে এসেছে।

1.16 তে পরিক্ষিত হওয়ার পরে পেয়ারটির প্রাইস বর্তমানে একটি অবস্থান তৈরি করেছে নিজের। মার্কিন সেশনে 1.1581 তে নেমে যাওয়ার পরেও মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে রেসিস্টেন্স 1.1652 এর কয়েক পিপ্স উপরে উঠে গেছে পেয়ারটির প্রাইস। এই লেভেলকে অতিক্রম করলে 1.17 হ্যান্ডেলে প্রাইস যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিবেচনার জায়গাগুলো:

সাপ্তাহিক ও ডেইলি টাইম ফ্রেমে বায়াররা মার্কেটের দখলে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি এবং সাপ্তাহিক Quasimodo রেসিস্টেন্স 1.1733 কে অতিক্রম করতে পারে।

মূল্য এতো উপরে উঠার আগে ডেইলি সাপোর্ট 1.1594 তে একবার পরিক্ষিত হতে চাইবে, যা কিনা 1.16 হ্যান্ডেলের সাথে মিলিত হয়ে আছে।

GBP/USD:

সাপ্তাহিক লাভ/লস: +1.81%

সাপ্তাহিক ক্লোজ: 1.2790

GBP/USD সাপ্তাহিক টাইম ফ্রেম:

সাম্প্রতিক ট্রেডে পেয়ারটির প্রাইস ২০১৯ সালের ওপেনিং লেভেল 1.2739 এর উপরে উঠে গেছে, যার ফলে সর্বোচ্চ 1.5930 থেকে শুরু হওয়া ট্রেন্ড লাইন রেসিস্টেন্স এ প্রাইস যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

যদিও ট্রেন্ড লাইন রেসিস্টেন্স এর ট্রেডাররা 127.2% Fibonacci extension point 1.3043 এর প্রতি নজর রাখবে, যার পরে রয়েছে ২০২০ সালের ওপেনিং লেভেল 1.3250 এবং 161.8% Fibonacci extension point nearby 1.3308।

ডেইলি টাইমফ্রেম:

সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে 200-day SMA (orange – 1.2697) সাপোর্ট হিসেবে কাজ করায় গত সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় শেষ হয়েছে এবং এর ফলে এই সপ্তাহে রেসিস্টেন্স 1.2840 কে অতিক্রম করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ট্রেডাররা এটা ও খেয়াল রাখবে যে এই লেভেলটি সর্বনিম্ন 1.1409 থেকে শুরু হওয়া ট্রেন্ড লাইন সাপোর্ট (বর্তমানে রেসিস্টেন্স) এর সাথে অবস্থিত।

1.2840 এর উপরে প্রাইস যেতে বাধা দিতে না পারলে, ট্রেডাররা ABCD (black arrows) completion 1.2982 এর দিকে নজর দিবে, যা কিনা Quasimodo রেসিস্টেন্স 1.3069 এর একটু নিচে অবস্থিত।

চার ঘন্টার টাইমফ্রেম:

প্রত্যাশার চেয়ে ভাল যুক্তরাজ্যের খুচরা বিক্রির তথ্য এবং দুর্বল মার্কিন ডলারের কারণে শুক্রবারে GBP/USD 1.28 লেভেলটি অতিক্রম করেছে, যা কিনা রেসিস্টেন্স 1.2796 এবং 161.8% Fibonacci extension point at 1.2808 এর মাঝখানে একটি মনস্তাত্বিক পয়েন্ট।

বিবেচনার জায়গাগুলো:

জুনের প্রথম দিকে 1.28 অনেক শক্তিশালী রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করেছে, যার ফলে এই সপ্তাহে আশা করা হচ্ছে এই লেভেলটি মূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাধা দিতে পারে।

তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হলো বড় টাইম ফ্রেমে সাপ্তাহিক রেসিস্টেন্স 1.2739 কে ইতিমধ্যে অতিক্রম করে ফেলেছে। সাপ্তাহিক টাইম ফ্রেমে পরবর্তী ঊর্ধ্বমুখী টার্গেট হিসেবে ধরা হয়েছে 1.2815 অঞ্চলকে। তাই 1.28 এর উপরে একটি ফেক আউট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

AUD/USD:

সাপ্তাহিক লাভ/লস: +1.59%

সাপ্তাহিক ক্লোজ: 0.7104

AUD/USD সাপ্তাহিক টাইমফ্রেম:

গত সপ্তাহে 2020 সালের ওপেনিং লেভেল 0.7016 এবং 2019 সালের ওপেনিং লেভেল 0.7042 কে অতিক্রম করে রেসিস্টেন্স 0.7147 কে টার্গেট করে উপরের দিকে প্রাইস ধাবিত হয়েছে।

এই সপ্তাহে উপরে উল্লেখিত বাৎসরিক ওপেনিং লেভেল গুলো সম্ভাব্য সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবে, যেখানে 0.7147 কে অতিক্রম করতে পারলে প্রাইস রেসিস্টেন্স লেভেল 0.7308 কে টার্গেট করবে।

ডেইলি টাইমফ্রেম:

বৃহস্পতিবারে 0.7168 থেকে শুটিং স্টার ক্যান্ডেল স্টিক প্যাটার্ন তৈরি করে মূল্য হ্রাস পেয়ে প্রাইস নীচে নেমে গেলেও শুক্রবার ডোজি ক্যান্ডেল তৈরি করে প্রাইস উপরের দিকে উঠে যায়।

প্রাইস এর গতিবিধি দেখে ট্রেড করা ট্রেডাররা লক্ষ্য কিরবে যে, এই সপ্তাহে বড় টাইম ফ্রেমে অনেকগুলো সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স রয়েছে। নিচের দিকে ডেইলি সাপোর্ট হিসেবে রয়েছে 0.7049 লেভেল, যা কিনা উপরে উল্লেখিত দুইটি বাৎসরিক ওপেনিং লেভেলের সাথেই অবস্থিত। রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করছে 0.7147 এবং 0.7168।

চার ঘন্টার টাইমফ্রেম:

শুক্রবারে প্রাইস সর্বনিম্ন 0.7063 তে নেমে গেলেও সাপোর্ট লেভেল 0.7042 এবং 38.2% Fibonacci retracement ratio at 0.7048 কে চ্যালেঞ্জ না করেই আবার 0.71 এ ফিরে যায়।

বিবেচনার জায়গাগুলো:

শুক্রবারে 0.71 এ পরীক্ষিত হওয়ার ফলে এই সপ্তাহের শুরুতে সেলাররা চাইবে আগের সপ্তাহের ক্লোজ থেকে সেলিং শুরু করতে।

উপরে উল্লেখিত রাউন্ড নাম্বার থেকে নিম্নমুখী টার্গেট হিসেবে থাকবে ডেইলি সাপোর্ট 0.7049, 38.2% Fibonacci retracement ratio at 0.7048 এবং 2019 সালের ওপেনিং লেভেল 0.7042।

USD/JPY:

সাপ্তাহিক লাভ/লস: -0.88%

সাপ্তাহিক ক্লোজ: 106.07

USD/JPY সাপ্তাহিক টাইমফ্রেম:

জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে 2020 সালের ওপেনিং লেভেল 108.62 এর নিচে অবস্থান করার পরে USD/JPY পেয়ারটি 105.68 এ নেমে গিয়েছিল। ৬ই মে এর ওপেনিং লেভেল 105.98 কে অতিক্রম করার পরে এই সপ্তাহে লং টার্ম সাপোর্ট 104.70 কে টার্গেট করা হয়েছে।

ডেইলি টাইমফ্রেম:

ডেইলি চার্ট অনুযায়ী শুক্রবারে Quasimodo সাপোর্ট 106.35 কে অতিক্রম করে নীচে নেমে গেছে। এর ফলে সাপোর্ট লেভেল 105.05 এ সবার নজর স্থির হয়েছে, যা কিনা সাপ্তাহিক সাপোর্ট 104.70 এর ঠিক উপরে অবস্থান করছে।

এছাড়া সাপ্তাহিক এবং ডেইলি টাইমফ্রেমেও বিয়ারিশ অবস্থার নির্দেশ করতেছে এই সপ্তাহে। তবে নিচে নামার আগে 106.35 তে একবার পরীক্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চার ঘন্টার টাইমফ্রেম:

মার্কেট ঝুকিপূর্ন থাকার ফলে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত জাপানিজ ইয়েনের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মার্কিন ডলার ইনডেক্স 94.00 তে নেমে যাওয়ার ফলে USD/JPY পেয়ারটির প্রাইস নীচে নেমে গেছে।

জুলাই এর শুরু থেকে চার ঘন্টার ক্যান্ডেল 106.74-107.40 এর মধ্যে অবস্থান করেছে। শুক্রবারে এই রেঞ্জের নিচের লেভেল ব্রেক করে 106 এর দিকে চলে গেছে প্রাইস। এর ফলে Quasimodo সাপোর্ট 105.71 তে প্রাইস যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিবেচনার জায়গাগুলো:

চার ঘন্টার টাইমফ্রেমে Quasimodo সাপোর্ট 105.71 থেকে মূল্য পুনরুদ্ধার করার সম্ভাবনা হ্রাস পেয়েছে যেহেতু সাপ্তাহিক ও ডেইলি টাইমফ্রেমে প্রাইস সাপোর্ট লেভেল ব্রেক করে নীচে নেমে গিয়েছে। যদিও 106 এর উপরে প্রাইস গেলে বায়াররা কিছুটা সাহস ফিরে পাবে এবং 106.35 কে টার্গেট করবে। তবে 106.35 এই সপ্তাহে নজর রাখার মতো একটি রেসিস্টেন্স, যেখানে সেলাররা প্রাইস ডেইলি সাপোর্ট লেভেল 105.05 এ স্থির করার চেষ্টা করবে।

USD/CAD:

সাপ্তাহিক লাভ/লস: -1.23%

সাপ্তাহিক ক্লোজ: 1.3410

USD/CAD সাপ্তাহিক টাইমফ্রেম:

2017 এর ওপেনিং লেভেল 1.3434 সাপোর্ট হিসেবে কাজ করেছে গত সপ্তাহে ক্লোজিং এর সময়। এই লেভেলের নীচে সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবার সর্বনিম্ন 1.2061 থেকে নেওয়া চ্যানেল সাপোর্ট। তবে পেয়ারটির পক্ষে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে 2016 সালের ওপেনিং লেভেল 1.3814 রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করবে। এই লেভেলকে অতিক্রম করলে প্রাইস 1.4190/1.3912 এর মধ্যে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডেইলি টাইমফ্রেম:

ডেইলি টাইমফ্রেম অনুসারে গত মঙ্গলবারে 200-day SMA (orange – 1.3515) কে সাপোর্ট হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং বৃহস্পতিবারে সর্বনিম্ন 1.3351 এ নেমে গিয়েছে।

বৃহস্পতিবারে তুলনামূলক ভাবে অনেক বাজে অবস্থান দিন শেষ করেছে যেখানে অনেক ট্রেডারের মতে সাপোর্ট লেভেল 1.3303 এর উপরে হ্যামার প্যাটার্ন তৈরি হয়েছিল। এদিকে শুক্রবার একটি ডজি ক্যান্ডেল গঠন করে সপ্তাহ শেষ হয়েছে।

চার ঘন্টার টাইমফ্রেম:

বৃহস্পতিবারে 2.2% মূল্যহ্রাস পাওয়ার পরে শুক্রবারে ক্রুড অয়েলের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়েছিল, যেখানে মার্কিন ডলার ইনডেক্স 94.50 কে অতিক্রম করে 94.00 এর কাছাকাছি নেমে গিয়েছিল।

চার ঘন্টার ক্যান্ডেল 1.34 ক্যান্ডেলের উপরে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছে বৃহস্পতিবারে Quasimodo সাপোর্ট 1.3356 থেকে মূল্য পুনরুদ্ধার করার পরে। শুক্রবার মার্কিন সেশনে 1.34 কে অতিক্রম করে নীচে নেমে যাওয়ার একটা চেষ্টা হয়েছিল। এই সপ্তাহে Quasimodo রেসিস্টেন্স 1.3466 এ প্রাইস যাওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে।

বিবেচনার জায়গাগুলো:

চার্ট দেখে অনুমান করা যায় যে এই সপ্তাহের শুরুতে 1.34 এর উপরে মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে বায়াররা সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে সাপোর্ট লেভেল 1.3434 কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

এই সপ্তাহে সম্ভাব্য রেসিস্টেন্স হিসেবে 1.35 অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, যা কিনা 200-day SMA- 1.3515 এর সাথে সম্পর্কিত।

USD/CHF:

সাপ্তাহিক লাভ/লস: -1.97%

সাপ্তাহিক ক্লোজ: 0.9198

USD/CHF সাপ্তাহিক টাইমফ্রেম:

গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস প্রায় 180 পিপ্স হ্রাস পেয়ে রেসিস্টেন্স 0.9447 এর অনেক নীচে নেমে গিয়েছে। এর ফলে একটি ফুল বডি বিয়ারিশ ক্যান্ডেল গঠন করে Quasimodo সাপোর্ট 0.9255 এর নিচে নেমে গিয়েছে। যদিও Quasimodo এর সর্বনিম্ন পয়েন্ট 0.9187 কে অতিক্রম না করেও প্যাটার্নটি এখনো কার্যকর অবস্থায় রয়েছে।

এই সপ্তাহে আমরা যদি 0.9287 এর নিচে নেমে যাই, তাহলে কাছাকাছি সাপোর্ট লেভেল 0.9151 অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেইলি টাইমফ্রেম:

আগের সপ্তাহে সাপ্তাহিক রেসিস্টেন্স 0.9447 তে মূল্য পরীক্ষিত হওয়ার পরে সোমবারে মূল্য বৃদ্ধি পাবে বলে তেমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছেনা। সম্প্রতি চারটি বিয়ারিশ ক্যান্ডেল তৈরি করে এই সপ্তাহে সাপোর্ট লেভেল 0.9187 তে প্রাইস নেমে যেতে পারে।

এই সপ্তাহে 0.9187 থেকে প্রাইস নেমে সাপ্তাহিক সাপোর্ট 0.9151 এবং ডেইলি সাপোর্ট 0.9072 তে নেমে যেতে পারে।

চার ঘণ্টার টাইম ফ্রেম:

শুক্রবারে সুইস ফ্রাঙ্কের বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে যেহেতু মার্কিন ডলার ইনডেক্স 94.50 এর নিচে নেমে গেছে এবং নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে সুইস ফ্রাঙ্কের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার ক্লোজিং এর সময় 0.92 হ্যান্ডেলে অবস্থান করেছে।

চার্ট অনুযায়ী 0.92 একটি দুর্বল রেসিস্টেন্স, এই লেভেলটি ব্রেক করলে Quasimodo সাপোর্ট 0.9161 তে প্রাইস যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিবেচনার জায়গাগুলো:

0.92 এর নিচে সেল স্টপ নির্ধারন করা হয়েছে। এর ফলে এই সপ্তাহে উপরে উল্লেখিত রাউন্ড নাম্বারের নিচে নেমে যেতে পারে পেয়ারটির প্রাইস, যা কিনা ২০১৫ সাল এর পরে কখনো হয়নি। এদিকে ডেইলি টাইম ফ্রেম অনুসারে প্রাইস সাপোর্ট লেভেল 0.9187 তে নেমে যেতে পারে।

XAU/USD (GOLD):

সাপ্তাহিক লাভ/লস: +5.06%

সাপ্তাহিক ক্লোজ: 1901.6

XAU/USD (GOLD) সাপ্তাহিক টাইমফ্রেম:

গত সপ্তাহে গোল্ড ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় ট্রেড করেছে এবং ক্লোজিং এর সময় রেসিস্টেন্স 1882.7 এর উপরে অবস্থান করেছে। এই নিয়ে টানা সাতদিন গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে মার্কিন ডলারের বিপরীতে।

গত সপ্তাহে ঊর্ধ্বমুখী ট্রেডের কারণে এই সপ্তাহে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ 1921.0 এর কাছাকাছি অবস্থান করছে পেয়ারটির প্রাইস। এই লেভেলের উপরে প্রাইস গেলে বায়াররা কোন লেভেলে যাবে তা চার্ট দেখে বুঝা যাচ্ছে না।

ডেইলি টাইম ফ্রেম:

গত সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে রেসিস্টেন্স 1841.0 এর উপরে উঠার পরে বায়াররা প্রাইস Quasimodo রেসিস্টেন্স 1911.9 এর নীচে পর্যন্ত নিয়ে গেছে, যা কিনা গোল্ডের সর্ব কালের সর্বোচ্চ পর্যায় 1921.0 এর নিচে অবস্থান করছে।

চার ঘন্টার টাইমফ্রেম:

শুক্রবারে টানা ছয় দিনের মত মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে গোল্ডের যেহেতু মার্কিন ডলারের মূল্য হ্রাস অব্যাহত রয়েছে এবং নিরাপদ আশ্রয়ের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে চীন-মার্কিন সম্পর্কের অবনতি হওয়ার ফলে।

সাপোর্ট লেভেল 1871.6 এর দিকে না জেয়ে শুক্রবারে প্রাইস বৃহস্পতিবারের সর্বোচ্চ লেভেল 1898.3 এর উপরে উঠে Quasimodo রেসিস্টেন্স 1903.4 তে চলে যায়। বর্তমানে রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করছে গোল্ডের সর্বোচ্চ পর্যায় 1921.0।

বিবেচনার জায়গাগুলো:

এই সপ্তাহে সর্বোচ্চ পর্যায় 1921.0 এর দিকে সবার নজর থাকলেও কাউন্টার ট্রেন্ড ট্রেডাররা একটি শুটিং স্টার প্যাটার্ন বা বিয়ারিশ ইনগালফিং ক্যান্ডেল এর দিকে নজর রাখবে।

যদি সর্বোচ্চ পর্যায় ব্রেক করে ফেলে তাহলে ব্রেক আউট বায়াররা মার্কেটে প্রবেশ করবে এবং কাউন্টার ট্রেন্ড সেলাররা মার্কেট ত্যাগ করবে।

মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধিতে থাকবে না ফেডের ভূমিকা; ভালো অবস্থানে EUR/USD

৩ Comments

  • এই সপ্তাহের বাজারে লক্ষ্য রাখার মতো ৫ টি বিষয়
    জুলা ২৬, ২০২০
  • Forex: বাজারে Gold এর রাজত্ব, চীন-মার্কিন দ্বন্দ্বে ডলার নিম্নমুখী
    জুলা ২৭, ২০২০
  • সাপ্তাহিক ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস | ২৭শে জুলাই - ৩১শে জুলাই, ২০২০
    জুলা ২৭, ২০২০

leave a reply