Foreign Currency Swap | বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়

0
256 views
Foreign Currency Swap | বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়
Foreign Currency Swap | বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়

Foreign Currency Swap হলো দুইটি ভিনদেশিদের মধ্যে একটি চুক্তির ভিত্তিতে নিজেদের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় করার চুক্তি। এই চুক্তির আওতায় মূলধন এবং তার উপরে অর্জিত সুদ, উভয়ই বিনিময় করা হয়। এই চুক্তির বিশেষত্ব হলো এতে মুদ্রায় কৃত মূলধন এবং তার উপ অর্জিত সুদকে অন্য একটি নির্দিষ্ট মুদ্রায় কৃত মূলধন এবং তার উপ অর্জিত সুদের বিনিময়ে হাত বদল করা হয়। ২০০৮ সালের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয়ব্যাঙ্ক ফেডারেল রিসার্ভ কর্তৃক বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলোকে এই ধরণের মুদ্রা বিনিময়ের সুযোগ প্রদান করা হয়েছিলো।

Foreign Currency Swap সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ গ্রহণ করা যার উপরে প্রদত্ত সুদের হার হবে বিনিয়োগকারীর আখাঙ্খা অনুযায়ী। বিশ্বব্যাংক ১৯৮১ সালে সর্বপ্রথম বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা চালু করে যার মূল উদ্দেশ্য ছিলো জার্মানির মুদ্রা মার্ক্স্ এবং সুইজারল্যান্ডের মুদ্রা ফ্রাংক বিনিময় করা। এই ধরণের বিনিময় সবচেয়ে ভালো হয় দীর্ঘমেয়াদি ঋণ, যেমন ১০ বছর মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে। তবে, মুদ্রা বিনিময় সুদের বিনিময়ের চেয়ে এই দিক থেকে আলাদা যে মুদ্রা বিনিময় করতে হলে সুদ সহ মূলধনের বিনিময়ও করতে হয়।

মুদ্রা বিনিময়ের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষই উভয়কে সুদ পরিশোধ করতে থাকে যা চলমান থাকে ঋণের সম্পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্ত। যখন বিনিময় শেষ হয়ে যায় তখন তারা নিজেদের মধ্যে মুদ্রাটিকেও বিনিময় করে ফেলেন। অবশ্য, এই বিনিময়ের ক্ষেত্রে বিনিময়ের হার থাকে চুক্তির মাধ্যমে পূর্ব নির্ধারিত, যাতে করে বিনিময় জনিত ঝুঁকি বা স্পট রেটকে এড়ানো যায়।

বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হচ্ছে দুই ধরণের।

প্রথমটি হলো, fixed-for-fixed currency swap, যার আওতায় একটি মুদ্রার উপরে অর্জিত সুদকে অন্য মুদ্রার উপরে অর্জিত সুদের বিনিময়ে হাতবদল করা হয়। দ্বিতীয়টি হলো, fixed-for-floating swap, যার আওতায় একটি মুদ্রার উপরে অর্জিত সুদের নির্ধারিত পরিমাণকে অন্য মুদ্রার উপরে অর্জিত সুদের পূর্বে থেকে অনির্ধারিত পরিমানের বিনিময়ে হাতবদল করা হয়। তবে, শেষের ধরণ অনুযায়ী মূলধন বিনিময় করা হয় না।

বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের উদাহরণ

ধরা যাক, ইউরোপের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘ক’ মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘খ’ এর নিকট থেকে $120 মিলিয়ন ডলার ঋণ গ্রহণ করলো। অন্যদিকে, ইউরোপের ‘ক’ প্রতিষ্ঠানটি মার্কিন ‘খ’ প্রতিষ্ঠানকে $100 মিলিয়ন ডলার মূল্যমানের ঋণ সরবরাহ করলো। যার উপরে সুদের হার থাকছে $1.2 স্পট রেট। এই চুক্তির মাধ্যমে খুবই সস্তায় ঋণ গ্রহণ করা যায়।

উপরে প্রদত্ত উদাহরণ ছাড়াও কিছুকিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা সুদের হারের মধ্যে পূর্বাভাসের চেয়েও অধিক হারে উঠানামা এড়ানোর জন্যে মুদ্রার এই বিনিময়ে লিপ্ত হয়।

IC MARKETS ব্রোকার এ একাউন্ট খুলুন – http://bit.ly/2Jd7FsO

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.