FOREX BANGLA | একজন নবাগত ট্রেডারের প্রথম ট্রেড করার সহজ ৪টি ধাপ

0
338 views
FOREX BANGLA
FOREX BANGLA

MarketDeal24.Com – FOREX BANGLA  ধরে নেয়া যায় যে, আপনি বেশ কিছুদিন ধরে ফরেক্স বা মুদ্রাবাজার সম্পর্কে পড়াশুনা করছেন এবং ইতিমধ্যে পরিচিত হয়েছেন বিভিন্ন ধরণের মুদ্রার জোড়া বা কারেন্সী পেয়ারের সাথে। শুধু তাই নয়, আপনার সংকলিত জ্ঞানের মধ্যে যোগ হয়েছে ফান্ডামেন্টাল এবং টেকনিক্যাল এনালাইসিস বা বিশ্লেষণ করার সামান্য অভিজ্ঞতাও। তাই, এই পর্যায়ে আমরা আপনার জীবনের প্রথম ফরেক্স ট্রেডকে সফল করার জন্যে নিম্নে উল্লেখ করবো অতি সহজ চারটি ধাপের। নিম্নে তা একে একে আলোচনা করা হলো:

১. মুদ্রাজোড়া বা কারেন্সী পেয়ার নির্বাচন করুন

মুদ্রা হলো একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে আদান প্রদানের সবচেয়ে বহুল প্রচলিত মাধ্যম। বিশ্বে রয়েছে দুই শতাধিক স্বাধীন/সার্বভৌম রাষ্ট্র। তাই, মুদ্রার সংখ্যাও কম নয়। কিন্তু সুবিধার বিষয় হলো এই যে, সকল মুদ্রা সমানভাবে লেনদেন হয় না। তাই, এই পর্যায়ে আপনাকে এমন একটি মুদ্রার জোড়া বা পেয়ার বেঁছে নিতে হবে যার প্রচলন সবচেয়ে বেশি। ফলে যেকোনো সময়ে আপনি একটি ট্রেড গ্রহণ করতে পারবেন এবং ট্রেড ছাড়তে পারবেন। কারণ ট্রেড গ্রহণ এবং বর্জন নির্ভর করে একটি মুদ্রাজোড়ার বিদ্যমান তারল্যের উপরে। আমরা জানি, বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ অর্থনীতির দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলার হলো সর্বাধিক প্রচলিত। তার পরে ইউরোর অবস্থান। তাই বুঝার সুবিধার জন্যে এই আলোচনায় ধরে নিলাম আপনি বেঁছে নিবেন EUR/USD পেয়ারকে।

২. বাজার বিশ্লেষণ করুন

দ্বিতীয় ধাপে একজন নব্য ট্রেডার হিসেবে আপনার কাজ হবে আপনার পছন্দসই মুদ্রারজোড়া বা কারেন্সী পেয়ারের বাজার বিশ্লেষণ করা। মনে রাখবেন, কোনো ধরণের বিশ্লেষণ ছাড়া মাঠে নাম অন্ধকারে ঢিল মারার নামান্তর। তাই, সফল বা লাভজনক একটি ট্রেডের জন্যে চাই বাজার সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ। প্রথমে ফান্ডামেন্টাল বা মৌলিক বিষয়াদি নিয়ে বিশ্লেষণ। যেমন ঐ কারেন্সী পেয়ারের উপরে প্রভাব বিস্তারকারী অনুঘটকগুলো, অর্থাৎ, ঐ দেশের জিডিপি, বাজেট ঘাটতি, কর্মসংস্থান এবং বেকারত্বের হার, সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ইত্যাদি। এর পরে আপনাকে করতে হবে টেকনিক্যাল এনালাইসিস, বা, চার্টে প্রদত্ত গ্রাফ বা ক্যান্ডেলস্টিকের উঠানামার ধরণ, বিভিন্ন ইনডিকেটর বা ইঙ্গিতবাহী দিয়ে অঙ্ক কষা ইত্যাদি।

৩. কারেন্সী পেয়ারের কোট (Quote) ভালোভাবে লক্ষ্য করুন

মুদ্রাবাজার বা ফরেক্স জগতের একটি অভিনব ব্যপার হলো প্রতিটি মুদ্রাজোড় বা কারেন্সী পেয়ারের দুইটি মূল্যমান। ভালোভাবে লক্ষ্য করলে আপনি বুঝতে পারবেন যে, এই দুইটি মানের মধ্যে একটি হলো ক্রয়মূল্য এবং অন্যটি বিক্রয়মূল্য। যেমন আপনার পছন্দের EUR/USD পেয়ারের ক্রয়মূল্য হয়তো দেখাচ্ছে ১.০৭১৭৩, এবং বিক্রয়মূল্য থাকছে ১.০৭১৯১। এখানে উল্লেখ্য যে, এই দুই মূল্যের মধ্যেকার পার্থক্য হলো স্প্রেড, যা একজন ব্রোকার তার কমিশন বা দালালি হিসেবে একজন ট্রেডারের নিকট হতে কর্তন করে রাখে। এই স্প্রেডই হলো সেই ব্রোকারের আয়। তবে, এই স্প্রেড ব্রোকার ভেদে ভিন্নভিন্ন হয়।

৪. ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে আপনার অবস্থান নির্ধারণ করুন

বাজারে অনেক মানুষের সমাগম হয়ে থাকে। কেউ হয়তো কোনো কিছু ক্রয় করার জন্যে এসেছেন, আবার কারো আগমনের উদ্দেশ্য হলো কোনো কিছু বিক্রয় করা। তাই প্রতি মানুষের অবস্থান একে ওপরের চেয়ে ভিন্ন। মুদ্রাবাজার বা ফরেক্স জগতে আপনি যখন প্রবেশ করবেন তখন নিশ্চয়ই আপনি হয়তো কিছু ক্রয় করবেন, অথবা কিছু বিক্রয় করবেন।

ক্রয় অবস্থান: আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে আপনার পছন্দের মুদ্রাজোড়া কারেন্সী পেয়ারের মূল্যমান অর্থাৎ, কোট কার্রেন্সির তুলনায় বেস কারেন্সী বৃদ্ধি পাবে তাহলে আপনি ঐ মুদ্রাজোড়াটি ক্রয় করবেন।

বিক্রয় অবস্থান: আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে আপনার পছন্দের মুদ্রাজোড়া কারেন্সী পেয়ারের মূল্যমান অর্থাৎ, বেস কার্রেন্সির তুলনায় কোট কারেন্সী বৃদ্ধি পাবে তাহলে আপনি ঐ মুদ্রাজোড়াটি ক্রয় করবেন।

FOREX | যে ১০টি কৌশলে আপনার ট্রেডিং হবে আরও উন্নত

OPEN FOREX DEMO ACCOUNT

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.