Pfizer এর ভ্যাকসিন আপডেটের পরেও ফরেক্স ট্রেডাররা চিন্তিত কেন!

Pfizer এর ভ্যাকসিন আপডেটের পরেও ফরেক্স ট্রেডাররা চিন্তিত কেন! Pfizer এর ভ্যাকসিন আপডেটের পরেও ফরেক্স ট্রেডাররা চিন্তিত কেন!

MarketDeal24.Com – আজকের মার্কেটে সবচেয়ে বড় খবর হলো Pfizer এর করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের আপডেট। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে তাদের ভ্যাকসিন এখন ৯৫% সফল হয়েছে যেখানে আগের রিপোর্টে জানিয়েছিলো তাদের ভ্যাকসিন ৯০% সফল। সপ্তাহের প্রথম দিকে Moderna রিপোর্ট প্রকাশ করে যে তাদের ভ্যাকসিন ভাইরাস প্রতিরোধে ৯৪.৫% সফল। তবে Pfizer এই রিপোর্টে কারেন্সি ও ইক্যুয়িটি মার্কেটে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।

সমস্যা হলো বিনিয়োগকারীরা যদিও বিশ্বাস করছে যে ওষুধ কোম্পানীগুলো ভাইরাস উদ্ভাবনে সঠিক পথে এগোচ্ছে এবং সফলতার একেবারে কাছাকাছি অবস্থান করছে, কিন্তু তারা এটাও জানে যে ২০২১ সালের আগে ভ্যাকসিন বাজারে পাচ্ছে না তারা। মডার্না এর ভ্যাকসিন -২০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় স্টোর করে রাখা যাবে, যা কিনা সাধারণ ফ্রিজের তাপমাত্রার কাছাকাছি, যেখানে ফাইজার এর ভ্যাকসিন -৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় স্টোর করতে হবে যা কিনা এন্টারটিকা মহাদেশের তাপমাত্রার চেয়ে কম তাপমাত্রা, যার ফলে ব্যাপক পরিমাণ ভ্যাকসিন উৎপাদন নিয়েও শঙ্কা রয়ে গেছে।

এছাড়া সব মিলিয়ে ফাইজার ৫০০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারে। তাই ব্যাপক আকারে ভ্যাকসিন বাজারে আনার ক্ষেত্রে এখনো কয়েক মাসের দূরে রয়েছি আমরা। এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশে করোনা পরিস্থিতি আরো অবনতির দিকে যাচ্ছে। জাপানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ভাইরাস এলার্ট জারি করা হয়েছে বুধবারে রেকর্ড পরিমাণ সংক্রমণের রিপোর্ট পাওয়ার পরে।

মার্কিন ডলারের মূল্য হ্রাস

প্রধান সকল মুদ্রাগুলোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য হ্রাস পেয়েছে, যার মধ্যে নিউজিল্যান্ডের ডলার এবং কানাডিয়ান ডলার সবচেয়ে বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে। বিল্ডিং পারমিট এবং হাউজিং রিপোর্ট প্রত্যাশা অনুযায়ী না আসার ফলে মার্কিন ডলার মূল্য পুনরুদ্ধার করতে পারেনি। আজকে ফিলেডেলফিয়া ফেডারেল রিজার্ভের ম্যানুফেকচারিং ইনডেক্সও তেমন সুবিধাজনক ফলাফল দিতে পারবে না যেহেতু এম্পায়ার স্টেট জরিপে হ্রাস পেয়েছে।

Forexmart

নিউজিল্যান্ড ও কানাডাতে শক্তিশালী মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্টের কারণে এই দুইটি কারেন্সির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। নিউজিল্যান্ডে প্রত্যাশার চেয়ে বেশী প্রোডিউসার প্রাইস বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কানাডাতে কনজিউমার প্রাইস ০.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে যেখানে পূর্বাভাস অনুযায়ী ০.২% বৃদ্ধি পাওয়ার কথা ছিলো। এছাড়া তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়াতে কানাডিয়ান ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

শক্তিশালী মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্তের কারণে স্টার্লিং এর মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ইউরো কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে যেহেতু ইসিবি অর্থনৈতিক নীতিমালা পরিবর্তনের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং চতুর্থ প্রান্তিকে ইউরোজোনের অর্থনীতি নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বেশীর ভাগ দেশে লকডাউন জারি করার ফলে।

leave a reply