STOCK ANALYST | শেয়ার বিশ্লেষকদের পাঁচটি মনস্তাত্ত্বিক ভুল

STOCK ANALYST – শুধু একটি মোবাইলের সাহায্যে আগে বিশ্লেষকরা শেয়ারের টার্গেট প্রাইস কমিয়ে ফেলত। তাদের পরামর্শে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ত। কখনো কখনো শেয়ার মূল্য হ্রাস পেত ৩০% এরও বেশি। অনেক সময় বিশ্লেষকদের কথা শুনে দেউলিয়া হয়ে পড়ত বিনিয়োগকারীরা।

অধিকাংশ মানুষই মনে করে শেয়ার বিশ্লেষকরা তুলনামূলক অধিক জ্ঞানের অধিকারী। এবং শেয়ার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তারা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের চেয়ে এগিয়ে। কিন্তু দিনশেষে প্রতিটি বিশ্লেষক একজন মানুষ এবং তারা মনস্তাত্ত্বিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়।

এখানে তেমন কিছু মনস্তাত্ত্বিক ভুল নিয়ে আলোচনা করা হলো:

স্থিতাবস্থা:

বিশ্লেষকদের পূর্বের প্রাইস টার্গেটে অটল থাকার মনোভাব দেখা যায়। তাই নতুন কোনো তথ্য তারা সহজে মূল্যায়ন করতে চায় না। যদি কোনো একটি শেয়ারের মূল্যে বিয়ারিশ অবস্থা দেখতে পান তাহলে তিনি সেই কোম্পানির জন্য লো টার্গেট প্রাইস নির্ধারণ করবেন। কিন্তু নতুন একটি খবরে কোম্পানি শেয়ারের দামে আসতে পারে আমূল পরিবর্তন। সেক্ষেত্রে একজন বিশ্লেষক নতুন করে টার্গেট প্রাইস নির্ধারণ করতে পারবেন না।

Forexmart

পক্ষপাত:

কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট কিছুতে বিশ্বাস করলে সবসময় সেটার সমর্থনেই কথা বলে এবং সেটার অনুকূলেই গবেষণা করে। এমন প্রবণতা বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রবলভাবে দেখা যায়।

বদ্ধমূল ধারণা:

কোনো কিছু বদ্ধমূল ধারণা থাকলে পরিস্থিতি মূল্যায়ন সম্ভব হয় না। ফলে ভবিষ্যৎ ঘটনাবলীর সাথে নিজের পূর্বাভাসের তেমন কোনো মিল থাকে না।

পরিচিত গণ্ডি:

বিশ্লেষকরা তাদের পরিচিত গণ্ডির বাইরে কিছু ভাবেন না। কিন্তু শেয়ার বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ থাকলে হবে না। সেক্ষেত্রে সঠিক বিশ্লেষণ পাবার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস:

অধিকাংশ সময় পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে বিশ্লেষকরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকে। কিন্তু একটি ব্যাপার ভুলে গেলে চলবে না আর সেটা হলো কোনো কিছুর ক্ষেত্রে সঠিক পূর্বাভাস করাটা খুবই কঠিন। আত্মবিশ্বাসের সাথে ভুল পূর্বাভাস প্রদান করলে মানুষ বিপথে পরিচালিত হবে এবং অধিক পরিমাণে অর্থ বিনিয়োগকারীদের হারাতে হবে। STOCK ANALYST

PrimeXBT – ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ের জগতে এক অনন্য ব্রোকার

leave a reply